দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নের ডহরশংকর গ্রামে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে অর্ধশতাধিক পরিবার পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করেছে।
বুধবার (২৭ মে) সকাল ৮টায় গ্রামের দারুস সুন্নাহ জামে মসজিদের ঈদগাহ মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
জামাতে নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক ব্যবস্থার আয়োজন করা হয়। নামাজে ইমামতি করেন মসজিদের খতিব মাওলানা মো. আব্দুল্লাহ। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। পরে অনেকেই কোরবানির প্রস্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
দারুস সুন্নাহ জামে মসজিদের সভাপতি মো. রিপন হাওলাদার বলেন, “২০১৩ সাল থেকে আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা ও দুই ঈদ পালন করে আসছি। শুরুতে নানা বাধা ও সমালোচনার মুখে পড়তে হলেও এখন বিষয়টি এলাকায় স্বাভাবিক হয়ে গেছে।”
স্থানীয় সূত্র জানায়, ডহরশংকর গ্রামের ৫০টির বেশি পরিবার দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর চাঁদ দেখার ঘোষণার সঙ্গে মিল রেখে ধর্মীয় আচার পালন করে আসছে। তাদের দাবি, পূর্বপুরুষদের সময় থেকেই এ ধারা চলে আসছে এবং বর্তমানে এটি এলাকাটিতে একটি স্বতন্ত্র ধর্মীয় চর্চা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
ঈদ উপলক্ষে গ্রামের বাড়িগুলোতে উৎসবের আমেজ দেখা যায়। ঘরে ঘরে তৈরি করা হয় বিভিন্ন ধরনের খাবার ও মিষ্টান্ন। সকাল থেকেই নতুন পোশাকে শিশু-কিশোরদের আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।
মসজিদের মুসল্লি আরাফাত, মোসলেম ও কাদের বলেন, নবীজি (সা.) চাঁদ দেখার ভিত্তিতে রোজা ও ঈদ পালনের নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা সেই অনুযায়ী ধর্মীয় বিধান মেনে চলি।
খতিব মাওলানা মো. আব্দুল্লাহ বলেন, আমরা চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করেই রোজা শুরু করি এবং ঈদ উদযাপন করি। সৌদি আরবে ঈদের ঘোষণা আসার পর থেকেই আমাদের প্রস্তুতি শুরু হয়।
জে আই